27.9 C
Chittagong
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪
প্রচ্ছদসাহিত্যজাহাঙ্গীর আলমের ‘অপরাধের সাতকাহন’

জাহাঙ্গীর আলমের ‘অপরাধের সাতকাহন’

  নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ বিসিএস (পুলিশ ক্যাডার) কর্মকর্তা হিসেবে ২০১২ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন জাহাঙ্গীর আলম। তারপর কেটেছে একযুগেরও বেশি সময়। নানান প্রতিকূলতার মধ্যে অত্যন্ত সফলতার সাথে বাংলাদেশ পুলিশের চৌকশ একজন কর্মকর্তা হয়ে ওঠেন তিনি।

দীর্ঘ ১৩ বছরে পেশাগত জীবনে নানান বাঁকে হেটেছেন তিনি জাহাঙ্গীর আলম। পুলিশের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং অভিযানসহ বিচিত্র সেসব অভিজ্ঞতার বাস্তব দর্পন ‘অপরাধের সাতকাহন’।

পুলিশের প্রতিদিনের কার্যক্রম সম্পর্কে যাদের কৌতূহল রয়েছে, যারা পুলিশের বিভিন্ন অপারেশন এবং অপারেশন কৌশল সম্পর্কে জানতে আগ্রহী তারা একবার চোখ বুলাতে পারেন বইটিতে।

একটি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর পুলিশ কীভাবে সেই ক্লুলেস ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে, রাতের আঁধারে ঘটে যাওয়া কোনো মার্ডার কিংবা ডাকাতি মামলা ডিটেকশনের জন্য পুলিশ কী কী পদ্ধতি অবলম্বন করে, কীভাবে উক্ত ঘটনায় আসামিদের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ করেন একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা কিংবা ঘটনাস্থল এবং ক্রাইমসিনে কোন কোন আলামত সংগ্রহ করে, কোন কৌশল অবলম্বন করে পুলিশ একজন আসামিকে গ্রেফতার করেন তারই বিস্তর বিবরণ রয়েছে অপরাধের সাতকাহনে।

পাশাপাশি প্রতিটি অপরাধের ভয়াবহ পরিণতি এবং অপরাধ থেকে বাঁচতে হলে আপনার করণীয় সম্পর্কে লেখকের নিজস্ব মতামত এবং পরামর্শ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে প্রতিটি গল্পের শেষে।

এছাড়াও বিপদগ্রস্ত, অসহায় আর বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ালে, তাদেরকে আইনি সহায়তা দিলে এবং ভালোবেসে ভরসার হাত বাড়ালে, সাধারণ মানুষ পুলিশকে কতটা ভালবাসে এবং কতটা আপন করে নেয়- এমন অনেকগুলো বাস্তব গল্প রয়েছে বইটিতে।

অপরাধের সাতকাহন পাওয়া যাবে মেরিট ফেয়ার প্রকাশনের ২০১ ও ২০২ স্টলে।

সর্বশেষ